ও পোতা সাগর ভাংগীকে ৪০ শতক খাস জমি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু তারা রেকডীয় জমি ছেড়ে না দিয়ে আরো ৪০ শতক জমি দখলের চেষ্টা করে। এজন্য তারা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীর দ্বারস্ত হয়।
দীলিপ গাইন আরো জানান, পচি ভাংগী ও ফাতেমা তথ্য গোপন রেখে বন্দোবস্ত দলিল করে নিলেও শ্যামনগর সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর অফিস থেকে কোন দিনও জমি মেপে বুঝিয়ে দিতে আসেনি। গত ১২ মার্চ ফাতেমার এক অভিযোগের ভিত্তিতে সার্ভেয়র অমল কুমার ঘোষ তাকেসহ ১১ জনকে নোটিশ করেন। ২৩ মার্চ তারা সহকারি কমিশনারের অফিসে হাজির হয়ে ওই জমিতে বসবাস করা ও ভোগদখল করার বিষয়টি তুলে ধরেন। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও সার্ভেয়র সরেজমিনে ওই জমি তদন্তে এসে ঘটনার সত্যতা পান এবং অবৈধ বন্দোবন্ত দলিল গ্রহীতাদের দলিল বাতিল করে তাদের নামে দলিল দেওয়ার আবেদন অনুযায়ি কার্যক্রম চালানোর আবেদন করেন তারা। এর নিয়ে মাপ জরিপ করা হলে পঁচি ভাঙ্গীর জমি পূর্ব পশ্চিমে লম্বা বেড়িবাঁধের নীচে পাঁচ ফুট করে লম্বা জায়গা চিহ্নিত করেন সার্ভেয়র অমল কুমার ঘোষ।
এরপরও ফাতেমা, মিজানুর রহমান কৌশলে পচি ভাঙ্গীর পরিবারের সদস্যদের হাতে নিয়ে তাদের সীমানা প্রাচীর ও বাড়ি ঘর ভাংচুর করে জবরদখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে তারা আতঙ্কে ছিলেন। একপর্যায়ে চলতি বছরের ১৬ জুলাই তাদের দখলীয় সরকারি এক একর ৭০ শতক খাস জমি তুষার গাইন, পশাশ গাইন, বন্দনা গাইন, ধীরেন ম-ল, সুকুমার ম-ল, হরিশ্চন্দ্র ম-ল, লক্ষীরাণী ম-লের নামে ডিসিআর দেওয়া হয়। এরপরও সম্প্রতি পচী ভাংগী, তার ছেলে জঙ্গল ভাংগী ও সাগর ভাংগীর পক্ষ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার রায় তাদের ডিসিআরকৃত জমিতে লাল পাতা ওড়ালে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে।
মীরগাং গ্রামের মাখন লাল গাইনের ছেলে হরিশ্চন্দ্র গাইন বলেন, তার দাদা কালিপদ ম-লের জমি ভুলবশতঃ ১৪ বিঘা খাস হয়ে গেলে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় জমির রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তা ছাড়া ওই জমির মধ্যে এক একর ৭৮ শতক তার পিসতুত ভাইদের ভোগদখলে কোন আপত্তি না থাকায় দীলিপ ও তার ভাইসহ ১৮টি পরিবার সেখানে বসবাস করে। বন্দোবস্ত পেলে দীলিপ গাইন ও তাদের শরিকরা পাবেন। এ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে এমন আশঙ্কায় তিনি গত ৪ জুন কালিগঞ্জ সেনা ক্যাম্প, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
No Comments Yet...